মেনু নির্বাচন করুন
বরিশাল জেলার অর্ন্তগত বাবুগঞ্জ, উজিরপুর, বানারীপাড়া, গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলায় পর্যায়ক্রমে পূর্ন বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৮৫ সালের ২২ শে সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ অগ্রযাত্রা শুরু করে। বরিশাল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর যাত্রা হতে ডিসেম্বর’ ২০১২ ইং পর্যন্ত ২৯৪৬ কিঃ মিঃ লাইন নির্মান করে ১,১৫,৪৬৬ জন গ্রাহকের সংযোগ সুবিধা সৃষ্টি করেছে এবং সমিতির অর্ন্তভূক্ত ৩৬ ইউনিয়ন ও ০২ টি পৌরসভার ৫৩৫ টি গ্রামের মধ্যে ৪৪৩ টি গ্রাম বিদ্যুতায়নের মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেনীর ১,০৮,৭২৯ জন গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান করে এলাকা সমৃদ্ধকরনসহ আর্থ সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখছে।

সাধারণ তথ্য

সাংগঠনিক কাঠামো

কর্মকর্তাবৃন্দ

ছবিনামপদবিফোনমোবাইলইমেইল
মোঃ ইকবাল হোসেনজেনারেল ম্যানেজার০১৭৬৯৪০০০13barisalpbstwo@yahoo.com
রংগলাল কর্মকারডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার০১৭৬৯৪০০০৮৭azonaloffice_bpbs2@yahoo.com
আবু বকর শিবলীডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার০১৭৬৯৪০০০৮৮gzonaloffice_bpbs2@yahoo.com

কর্মচারীবৃন্দ

প্রকল্পসমূহ

ক) ১০লক্ষ গ্রাহকসেবা প্রকল্প

২০১১-২০১২ অর্থ বৎসর পর্যন্ত মোট ৯১৭৬ জন নতুন গ্রাহক সংযোগের পরিকল্পনা আছে।

খ) পল্লী বিদ্যুতায়ন সম্প্রসারন

বরিশাল বিভাগীয় কার্যক্রম-১

২০১০-২০১১ অর্থ বৎসর হতে ২০১২-২০১৩ অর্থ বৎসর পর্যন্ত ৩৭৬.০০ কি: মি: লাইন নির্মান পরিকল্পনা আছে।

যোগাযোগ

বরিশাল পল্লী বিদুৎ সমিতি-২

রহমতপুর, বরিশাল-৮২১৬

বিস্তারিত- www.barisalpbs2.org

কী সেবা কীভাবে পাবেন

গ্রাহক সেবা কেন্দ্র

সমিতির সদর দপ্তর, জোনাল অফিসে নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ, বিদ্যুৎ বিভ্রাট/বিল/মিটার সংক্রান্ত অভিযোগ, বিল পরিশোধের ব্যবস্থাসহ সকল ধরনের অভিযোগ জানানো যাবে এবং এতদ্বসংক্রান্ত বিষয়ে তথ্য পাওয়া যাবে।

 

নতুন সংযোগ গ্রহন

সমিতির সদর দপ্তর ও জোনাল অফিস থেকে নতুন সংযোগের আবেদন পত্র পাওয়া যাবে।

আবেদন পত্রটি যথাযথভাবে পূরন করে নির্ধারিত আবেদন ফি সমিতির সদর দপ্তর ও জোনাল অফিসের ক্যাশ শাখায় জমা প্রদান করে জমা রশিদ গ্রহন করলে ষ্টাডি ষ্টেকিং সম্পন্ন করত সংযোগ দানের পরবর্তী পদক্ষেপ পত্র মারফত অবহিত করা হবে।

পত্রে উল্লখিত শর্ত সমুহ প্রতিপালন পূর্বক ওয়্যারিং অনুমোদনের পর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা জামানত ও সদস্য ফি, মিটার স্থাপনের পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

পরবর্তী মাসের বিলিং সাইকেল অনুযায়ী গ্রাহকের প্রথম মাসের বিল জারী করা হবে এবং প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিলের সাথে নির্ধারিত হারে মিটার ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।

সমিতির সদর দপ্তর জোনাল অফিস এরিয়া অফিস, অভিযোগকেন্দ্র থেকে নতুন সংযোগ গ্রহনের নিয়মাবলী ও এতদ্বসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী সম্বলিত একটি পুস্তিকা বিনা মূল্যে সংগ্রহ করা যাবে।

বিল সংক্রান্ত অভিযোগ

বিল সংক্রান্ত যে কোন অভিযোগ যেমনঃ- চলতি মাসের বিল পাওয়া যায় নি, বকেয়া বিল অতিরিক্ত বিল ইত্যাদির জন্য সমিতির সদর দপ্তর ও জোনাল অফিস-এ যোগাযোগ করলে তাৎক্ষনিক সমাধান সম্ভব হলে তা নিম্পত্তি করা হবে। অন্যথায় একটি নিবন্ধন নম্বর দিয়ে পরবর্তী যোগাযোগের সময় জানিয়ে দেয়া হবে এবং পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

বিল পরিশোধ

সমিতির সদর দপ্তর ও জোনাল অফিসের ক্যাশ শাখায় এবং সমিতি নির্ধারিত ব্যাংকে গ্রাহকগন বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন।

 

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ নিদির্ষ্ট  ‘‘অভিযোগ কেন্দ্র/সদর দপ্তর/জোনাল অফিস/এরিয়া অফিস-এ আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ জানানো হলে আপনাকে অভিযোগ নম্বর ও নিস্পত্তির সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেয়া হবে। অভিযোগ নম্বরের ক্রমানুসারে আপনার বিদ্যুৎ বিভ্রাট দুরীভূত করার লক্ষ্যে ২৪ ঘন্টার মধ্যে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে যদি নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দূরীভূত করা সম্ভব না হয় তার  কারন গ্রাহককে অবহিত করা হবে।

নতুন সংযোগের  জন্য প্রয়োজনীয় দলিলাদি ও তথ্য

নতুন সংযোগের জন্য আবেদনপত্রের সাথে নিম্নোক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ-

সংযোগ গ্রহনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি সত্যায়িত ছবি।

জমির মালিকানা দলিলের সত্যায়িত কপি ।

সিটি কর্পোরেশ/নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ/পৌরসভা/স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাড়ীর

অনুমোদিত সত্যায়িত নক্সা অথবা সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা/স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নামজারীসহ হোল্ডিং নম্বর এর সত্যায়িত কপি ও দলিল অথবা দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর, জমির দলিল কমিশনারের সার্টিফিকেট (যেখানে নক্সা অনুমোদন নাই।)

লোড চাহিদার পরিমান উল্লেখ করতে হবে।

পূর্বের কোন সংযোগ থাকলে ঐ সংযোগের বিবরন ও সর্বশেষ পরিশোধিত বিলের কপি।

অস্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে বিবরন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

বৈধ সংশ্লিষ্ট সমিতির প্রশিক্ষন প্রাপ্ত গ্রাম বিদ্যুৎবিদ কর্তৃক প্রদত্ত ওয়্যারিং চুক্তিপত্র ও জব অর্ডার।

ট্রেড লাইসেন্স (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

সংযোগ স্থানের নির্দেশক নকশা।

শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের নিমিত্তে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন।

পাওয়ার ফ্যাক্টর ইমপ্রুভমেন্ট প্লান্ট স্থাপন (শিল্পের ক্ষেত্রে)

সার্ভিস লাইন এর দৈর্ঘ্য ১০৫ ফুটের বেশী হবে না ।

বহুতল আবাসিক/ বানিজ্যিক ভবন নির্মাতা ও মালিকের সাথে ফ্ল্যাট মালিকের চুক্তি নামার সত্যায়িত কপি।

 

৫০কিঃ ওঃ এর উর্দ্ধে সংযোগের জন্য গ্রাহককে আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ-

সিটি কর্পোরেশন/পৌরসভা অথবা সংশ্লিষ্ট হাউজিং কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বাড়ীর নক্সায় (সত্যায়িত কপি) উপকেন্দ্রের লে-আউট প্ল্যান।

সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম।

মিটারিং কক্ষ প্রদানের অঙ্গীকার নামা।

উপকেন্দ্রে স্থাপিত সব যন্ত্রপাতির স্পেসিফিকেশন ও টেষ্ট রেজাল্ট এবং বৈদ্যুতিক উপদেষ্টা ও প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের দপ্তর থেকে প্রদত্ত উপকেন্দ্র সংক্রান্ত ছাড়পত্র ।

 

শিল্প-কারখানা ও ৬ তলার অধিক ভবনে সংযোগের জন্য গ্রাহককে আরও যে দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ-

পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র, বনবিভাগের ছাড়পত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।

ফায়ার সার্ভিস ওসিভিল ডিফেন্স এর ছাড়পত্রের কপি।

নতুন সংযোগের জন্য আবেদন ফি

(1)   বাড়ী/বানিজ্যিক/দলগত/দাতব্যপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য নিম্ন বর্নিত হারে সমীক্ষা ফি আবেদনের সহিত জমা দিতে হইবে।

(ক) ১ হইতে ৯ জন পর্যন্ত গ্রাহকের ক্ষেত্রেঃ-                      ১০০ (জন প্রতি)

(খ) ১০ হইতে ২০ জন পর্যন্ত গ্রুপ সম্বলিত গ্রাহকের ক্ষেত্রে ঃ-  ১৫০০ (নির্ধারিত)

(গ) ২১ জন ও তদুর্ধের গ্রুপ সম্বলিত গ্রাহকের ক্ষেত্রেঃ-          ২০০০ (নির্ধারিত)

(2)   সেচ সংযোগের জন্য ২৫০.০০ (দুইশত  পঞ্চাশ) টাকা।

(3) যে কোন ধরনের অস্থায়ী সংযোগের  ক্ষেত্রে ১৫০০ ( এক হাজার পাঁচশত) টাকা।

(4)    উপরে বর্নিত সংযোগ ও শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত অন্য  কোন সাময়িক/ স্থায়ী  সংযোগের জন্য ১৫০০  (এক হাজার পাঁচশত) টাকা।

(5)   শিল্প সংযোগের ক্ষেত্রে সমীক্ষা ফি ২৫০০ (দুই হাজার পাঁচশত) টাকা।

(6)   বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানে সংযোগের জন্য ৫০০০ (পাঁচ হাজার) টাকা।

(7)   লোড বৃদ্ধির জন্য         (০-১০) কিঃওঃ ১০০০.০০

                                 (১১-৪৫) কিঃওঃ ২০০০.০০

                                      (৪৬ থেকে তদুর্ধ্ব) ৫০০০.০০

 

নতুন সংযোগের জন্য জামানতের পরিমান

(ক) সিংগেল ফেইজঃ- আবাসিক, ক্ষুদ্র, বানিজ্যিক (৫ কিঃ ওঃ পর্যন্ত) ও দাতব্য প্রতিষ্ঠান।

(১) ০.৫ কিঃ ওঃ লোড পর্যন্ত ঃ- ৫০০ (পাঁচশত)

(২) ০.৫ কিঃওঃ এর উর্ধ্বে ১ কিঃ ওঃ পর্যন্ত ৬০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি কিঃওঃ বা তার ভগ্নাংশের জন্য অতিরিক্ত ২০০.০০ টাকা হারে জামানত দিতে হবে। 

(খ) ৫ কিঃ ওঃ এর উধ্বে বানিজ্যিক প্রতিষ্ঠান প্রতি কিঃওঃ ২৩৬০.০০

(গ) শিল্প ও বুহৎ শিল্প ।

(১) ফেরতযোগ্য জামানতঃ প্রতি কিঃ ওঃ ১৮৫২.০০ টাকা হারে

(২) সিঙ্গেল ফেইজ ২৩০ ভোল্ট চাল কল/আটা কলে সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি হর্সপাওয়ার লোডের জন্য ট্রান্সফরমার খাতে জামানত (অফেরতযোগ্য) ঃ ৭৫০.০০ (সাতশত পঞ্চাশ) টাকা।

(৩) ৩ ফেইজ ৪০০ ভোল্ট চাল কল/আটাকলে সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি হর্সপাওয়ার লোডের জন্য ট্রান্সফরমার খাতে জামানত (অফেরতযোগ্য) ঃ ১৫০০ (একহাজার পাঁচশত) টাকা।

(ঘ) সিঙ্গেল ফেইজ ২৩০ ভোল্ট/থ্রী ফেইজ ৪০০ ভোল্ট সেচ সংযোগের ক্ষেত্রে প্রতি হর্সপাওয়ার লোডের জন্য ৬২৫.০০ টাকা। তবে সর্বনিম্ন লোড ৩ হর্স পাওয়ার ও সর্বনিম্ন জামানত ৩০০০ (তিন হাজার) টাকা জমা প্রদান করতে হবে।

(ঙ) রাস্তার বাতির ক্ষেত্রে ৬ (ছয়) মাসের নূন্যতম বিলের সমপরিমান।

 

অস্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ

সামাজিক ও ধমীর্য় অনুষ্ঠান, মেলা, নির্মান (শুধুমাত্রা ব্রীজ, কালভার্ট রাস্তা নির্মানের ক্ষেত্রে) নিমিত্তে স্বল্পকালীন (সর্বনিম্ন ছয় মাস ও সর্বোচ্চ ১ বছর) সময়ের জন্য অস্থায়ী বিদ্যুৎ সংযোগ গ্রহন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ২৩০/৪০০ ভোল্ট বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য শিল্প হারে বিল প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়াও অস্থায়ী সংযোগের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য দৈনিক ৮ (আট) ঘন্টা বিদ্যুৎ ব্যবহারের ভিত্তিতে প্রাক্কলিত অগ্রিম বিদ্যুৎ বিল, প্রয়োজনীয় মালামালের ১১০% হারে মূল্য, ট্রান্সফরমার ভাড়া জমা দিলে পরবর্তী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে অথবা গ্রাহকের চাহিদার দিন থেকে অস্থায়ী সংযোগ দেয়া হবে। গ্রাহকের জমাকৃত অর্থ মাসিক বিদ্যুৎ বিলের সাথে সমম্বয় করা হবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহার যোগ্য মালামালের ১০০% মূল্য ফেরত প্রদান করা হবে। যদি অস্থায়ী সংযোগ প্রদান করা সম্ভব না হয় তবে তার কারন জানিয়ে গ্রাহকের একটি পত্র দেয়া হবে।

 

লোড পরিবর্তন

লোড পরিবর্তন বাবদ সমীক্ষা ফি বকেয়া বিল পরিশোধ করতে হবে।

চুক্তি লোড বৃদ্ধির জন্য প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কিলোওয়াট/হর্সপাওয়ার প্রতি বিদ্যমান হারে জামানত প্রদান করতে হবে।

অতিরিক্ত লোডের জন্য সার্ভিস তার/ মিটার বদলানোর প্রয়োজন হলে উক্ত ব্যয় গ্রাহককে বহন করতে হবে।

প্রাক্কলিত ও জামানতের  জন্য অর্থ জমা দানের  ০৭ (সাত) দিনের মধ্যে লোড বৃদ্ধি কার্যকর  করা হবে।

যদিলোড বৃদ্ধি করা সম্ভব  না হয়  তবে  তার কারন জানিয়ে গ্রাহককে একটি পত্র দেয়া হবে।

 

গ্রাহকের নাম পরিবর্তনের পদ্ধতি

গ্রাহক ক্রয় সূত্র/ওয়ারিশ সূত্র/লিজ সূত্র জায়গা বা প্রতিষ্ঠানের মালিক হলে সকল দলিলের সত্যায়িত ফটোকপি, ২ কপি পাস পোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের অথবা এলাকা পরিচালকদের সুপারিশ সহ সমিতির সদর দপ্তর/জোনাল অফিসে আবেদন করতে হবে এবং নিম্নে বর্নিত হারে নাম পরিবর্তন ফি জমাদান পূর্বক গ্রাহকের নাম পরিবর্তন করতে পারবেন। উল্লেখ্য নাম পরিবর্তনের সময় অবশ্যই সমূদয় বকেয়া পরিশোধ  থাকতে হবে। এ ছাড়া নতুন সদস্য ফি ও নিরাপত্তা জামানত জমা প্রদান করতে হবে এবং পূর্বের নামে জমাকৃত সদস্য ফি ও জামানতের অর্থ ফেরত প্রদান করা হবে।

 

 

শ্রেনী ভিত্তিক নাম পরিবর্তন ফি

১। আবাসিক     ঃ ১০০/- টাকা।

২। বানিজ্যিক    ঃ ২০০/- টাকা।

৩। একফেজ সেচ/শিল্পঃ ৫০০/- টাকা।

৪। তিনফেজ সেচ/শিল্পঃ ১০০০/- টাকা।

প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা

প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা

সিটিজেন চার্টার

সৌর বিদ্যুৎ

                সৌর বিদ্যুৎ গ্রীড বিদ্যুৎ থেকে আলাদা। এই বিদ্যুৎ সূর্যের আলো থেকে সৌর প্যানেলের সাহায্যে তৈরি হয় এবং বাড়িতে স্থাপিত ব্যাটারিতে মজুত করে রাখা হয়। এই মজুতকৃত বিদ্যুৎ ডিজাইন অনুযায়ী এবং পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে ব্যবহার করলে ইহা আপনার দৈনন্দিন চাহিদা মিটাতে সক্ষম হবে এবং হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকবে না। ইহাতে পরিবেশ দূষণও হয় না। সৌর বিদ্যুতের সুফল পেতে হলে এই নির্দেশিকায় বর্ণিত নিয়ম মোতাবেক বিভিন্ন যন্ত্রাংশের যত্ন নিতে হবে।

 

মডিউল-

০১।           মডিউল / প্যানেলে যেন কোন ছায়া না পড়ে সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।

০২।           সৌর মডিউলকে  সবসময় দক্ষিণমূখী করে রাখতে হবে।

০৪।           প্রতি সপ্তাহে বা ১৫ দিন পর পর নরম ও ভিজা কাপড় দিয়ে মুছে মডিউল পরিস্কার করে দিতে হবে।

০৩।          শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা গেলে মডিউলের উপর মোটা চটের বস্তা বা চাটাই দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।

০৪।           ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত পাওয়া গেলে মডিউলটি খুলে নিরাপদ স্থানে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে এবং ঝড় শেষে অনুমোদিত টেকনিশিয়ানের সাহায্যে পুনরায় নিয়মানুসারে স্থাপন করতে হবে।

০৫।           প্যানেলের উপরে যাতে কোন কিছু না পড়ে বা কেহ কিছু নিক্ষেপ না করে এবং কাঁচের আবরণ যাতে না ভাঙ্গে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

 

চার্জ কন্ট্রোলারঃ-

                স্থাপন করার পর চার্জ কন্ট্রোলারে সাধারণত রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয় না। তবে যদি কখনো কোন সংকেত বাতি না জ্বলে এবং সিষ্টেম বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে অবহিত করতে হবে।

 

ব্যাটারীঃ-

                যন্ত্রাংশের মধ্যে ব্যাটারী হলো সবচেয়ে সংবেদনশীল। সৌর সিষ্টেমের সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ব্যাটারীর কর্মদক্ষতা হ্রাস পায়। ফলে সৌর বিদ্যুৎ সিষ্টেম আশানুরূপ বিদ্যুৎ সেবা দিতে পারে না। নিম্নে বর্ণিত রক্ষণাবেক্ষণ কাজ নিয়মিতভাবে করলে ব্যাটারী দীর্ঘদিন টিকবে এবং সৌর বিদ্যুৎ সিষ্টেম নির্যঞ্জাট চলবে ও দীর্ঘস্থায়ী সার্ভিস দিবে।

০১।           ব্যাটারীকে সবসময় সমতল স্থানে মাটি থেকে ৪/৫ ইঞ্চি উঁচুতে শুকনা কাঠের উপর বসাতে হবে।

০২।           ব্যাটারীর চারিদিকে স্বাভাবিক বায়ূ চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

০৩।          ব্যাটারীর উপরিভাগ সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সময়ে সময়ে পজেটিভ ও নেগেটিভ টার্মিনালে সিলিকন গ্রীজ বা পেট্রোলিয়াম জেলীর প্রলেপ দিতে হবে।

০৪।           প্রতি মাসে একবার ব্যাটারীর ইলেকট্রোলাইট লেভেল দেখতে হবে এবং কোন সেলে ইলেকট্রোলাইট কম হলে প্রয়োজন মত ডিষ্টিল্ড ওয়াটার ঢেলে লেভেল ঠিক করতে হবে। কোন অবস্থাতেই পুকুর, নদী বা টিউবওয়েলের পানি কিংবা এসিড মিশ্রিত পানি দেওয়া যাবে না।

০৫।           এসিড - পানি শরীরে বা কাপড়ে পড়লে পুড়ে যেতে পারে। তাই ব্যাটারীতে ডিষ্টিল্ড ওয়াটার সতর্কতার সাথে ঢালতে হবে। ডিষ্টিল্ড ওয়াটার ঢালার সময় জামা কাপড় আঁটসাঁট করে বেঁধে নিতে হবে। এসিড-পানি কোনক্রমে চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে কমপক্ষে ১৫ মিনিট চোখ খোলা রেখে পানি দিয়ে ধয়ে ফেলতে হবে।

০৬।          ব্যাটারীর এসিড-পানির ঘনত্ব পানির সাথে তুলনা করে মাপার জন্য বাজারে এক ধরণের যন্ত্র পাওয়া যায়, যার নাম হাইড্রোমিটার। এই হাইড্রোমিটার কিনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ট্রেনিং পাওয়া লাইনম্যানের কাছ থেকে পরিমাপের পদ্ধতি শিখে নেয়া যেতে পারে।

০৭।           প্রতি মাসে একবার ব্যাটারীর এসিডের আপেক্ষিক গুরুত্ব মাপা দরকার। সকল সেলে পরিমাপ মত ইলেকট্রিালাইট থাকা সত্ত্বেও যদি ০৬ টি সেলের গড় আপেক্ষিক গুরুত্ব ১.২৭৫ এর বেশি হয় অথবা ১.১৫০ এর কম হয়, অথবা কোন সেল এ অন্যান্য সেলের চেয়ে অনেক কম বা বেশী আপেক্ষিক গুরুত্ব পাওয়া যায়, তবে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে অবহিত করতে হবে এবং তাদের মরামর্শ মতো সিষ্টেম ব্যবহার করতে হবে।

০৮।          ব্যাটারী পরিস্কার করার সময় হাতের ঘড়ি, স্বর্ণালঙ্কার খুলে রাখতে হবে।

০৯।           ব্যাটারীর কাছে সিগারেট খাওয়া বা আগুন রাখা যাবে না। লোহা, গুনা, টিন ইত্যাদি ব্যাটারী থেকে দুরে রাখতে হবে। 

 

গ্রাহকের অবশ্যই করনীয়

১ ) বাতির ব্যবহার দৈনিক নির্ধারিত সময়ের (৩/৪ ঘন্টা) মধ্যেই সিমাবদ্ধ রাখবেন ।

২ ) টেলিভিশন চালানোর সময় খুব প্রয়োজনীয় ১/২ টি বাতি জ্বালাবেন ।

৩ ) মেঘ-বাদল ও ঘন কুয়াশার দিনে যতটা সম্ভব কম সংখ্যক বাতি জ্বালাবেন ।

৪ ) চার্জ কন্ট্রোলারের লো-ভোল্টেজ সংকেত দেখা গেলে বাতি/টিভি ব্যবহার সীমিত করবেন ।

৫ ) সিষ্টেমে জটিল কোন সমস্যা দেখা দিলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিকটস্থ অভিযোগ কেন্দ্রে লিখিত / টেলিফোনে অভিযোগ লিপিবদ্ধ করবেন এবং অভিযোগ নম্বরটি জেনে নেবেন ।

 

গ্রাহকের অবশ্যই বর্জনীয়

০১ ) নির্দিষ্ট সময়ের বেশী বাতি জ্বালাবেন না ।

০২ ) নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে বেশী বাতির সংযোগ দিবেন না ।

০৩ ) অপ্রয়োজনে বারবার বাতির সুইচ অফ/অন করবেন না।

০৪ ) দিনের বেলায় ( বিকাল ৪ টার আগে ) টেলিভিশন চালাবেন না ।

০৫ ) সার্কিট অফ / সর্ট/ওভার লোডজনিত কারনে চার্জ কন্ট্রোলারের লাল সংকেত বাতি ( মাষ্টার সুইচ) জ্বলা অবস্থায় কোন বাতি/ টিভি অন ( ON ) করবেন না ।

০৬ ) কোন অবস্থাতেই চার্জ কন্ট্রোলার বাইপাস করে ব্যাটারী ব্যবহার করবেন না ।

০৭ ) কোন ক্রমেই ব্যাটারীর সেলের মাঝখান থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ নিবেন না।

০৮ ) ব্যাটারীতে ডিষ্টিল্ড ওয়াটার ছাড়া অন্য কোন পানি ( টিউবওয়েল , পুকুর ,নদী  ইত্যাতি ) ব্যবহার করবেন না ।

০৯ ) ব্যাটারীর এক সেলের পানি অন্য সেলে দিবেন না ।

১০ ) ব্যাটারীর আশেপাশে আগুন রাখবেন না বা ধুমপান করবেন না ।

১১ ) মডিউলের উপরে ঢিল ছোড়া বা আঘাত দেয়া যাবে না ।

১২) সিষ্টেমে জটিল সমস্যা দেখা দিলে নিজে ঠিক করার চেষ্টা করবেন না, দক্ষ টেকনিশিয়ানের সহায়তা নিন।

24-Point Star: ১৩উপরোক্ত নিয়মাবলী মেনে চললে সৌর সিষ্টেমে লাগানো ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ব্যাটারী ৫-৮ বৎসর পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।


 

সেচ-শিল্প সংযোগে পাওয়ার ফ্যাক্টর ক্যাপাসিটর ব্যবহারের সুবিধাবলী

পাওয়ার ফ্যাক্টর কি ?

এসি বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রকৃত ক্ষমতা ও আপাত ক্ষমতার অনুপাতকেই পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। অতএব প্রকৃত শক্তি = আপাত শক্তি rপাওয়ার ফ্যাক্টর অথবা পাওয়ার ফ্যাক্টর = প্রকৃত ক্ষমতা/ আপাত ক্ষমতা = কিলোওয়াট/কেভিএ

সমিতি কর্তৃক সংযোগকৃত সকল প্রকার সেচ ও শিল্প গ্রাহকদের বৈদ্যুতিক মিটারের পাওয়ার ফ্যাক্টর এর মান ০.৯৫ (শতকরা ৯৫ বাগ) বা তার উপরে রাখা সমীচিন। পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান ক্যাপাসিটর ব্যবহারের মাধ্যমে পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান উন্নত করা যায়। বৈদ্যুতিক মোটরে ক্যাপাসিটর ব্যবহারের মাধ্যমে পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নত করিলে নিম্ন বর্ণিত সুবিধাদী পাওয়া যায়।

০১। লাইনে ভোল্টেজ বেশি থাকে।  ০২।  বৈদ্যুতিক মোটর এর তার কম গরম হয়, ফলে মোটরের আয়ুস্কাল বৃদ্ধি পায়।  ০৩। মোটরের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

০৪। অপচয় কম হয় তাই মিটারে রিডিং কম আসে এবং অপেক্ষাকৃত কম বিদ্যুৎ বিল গ্রাহককে পরিশোধ করতে হয়। ০৫। গ্রাহককে পাওয়ার ফ্যাক্টর মাশুল দিতে হয় না।

০৬। মটরের কয়েলের বিদ্যুৎ লস কম হওয়ায়, কয়েল কম গরম হয়, ফলে মোটরের কয়েল পুড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পায়।

০৭। পাওয়ার ফ্যাক্টরের মান উন্নত করলে প্রাইমারী মিটারিং এর গ্রাহকগণের ট্রান্সফরমার অপচয় শতকরা প্রায় দুই ভাগ হ্রাস পায়।

পার্শ্ব সংযোগ দেয়া কেন অবৈধ?

একটি ট্রান্সফরমারের নির্ধারিত ক্যাপাসিটি বা ক্ষমতা থাকে। গ্রাহকের লোড অর্থাৎ বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমান হিসাব করে নির্দ্দিষ্ট ক্ষমতার ট্রান্সফরমার স্থাপন করা হয়। সংযোগের পর যদি পার্শ্ব সংযোগ দেওয়া হয় তাহলে ট্রান্সফরমারের লোড বেড়ে যায় অর্থাৎ ওভার লোডেড হয়ে যায়। ক্ষমতার চেয়ে লোড বেশী হওয়ায়, বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে না পেরে ট্রান্সফরমার নষ্ট হয় বা পুড়ে যায়। ঐ ট্রান্সফরমারের আওতাধীন সকল গ্রাহক সদস্যগণ নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা হতে বঞ্চিত হয়। তাছাড়া নিম্নমানের তার দ্বারা পার্শ্ব সংযোগ প্রদান করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে যে কোন সময় মৃত্যু ঘটতে পারে। তাই সম্মানিত গ্রাহক সদস্যগণকে পার্শ্ব সংযোগ প্রদান না করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ লাইনে স্থাপিত ট্রান্সফরমার চুরি রোধ কল্পে করনীয়ঃ

প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ লাইনে স্থাপিত ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটছে। ফলে সমিতির কর্মকর্তা/কর্মচারীসহ গ্রাহক সদস্যগনকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। লোড শেডিং ছাড়াও বৈদ্যুতিক মালামাল চুরির কারনে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সুবিধা হতে বঞ্চিত থাকার ফলে শিল্প কারখানায় উৎপাদন ব্যবসা বানিজ্য পরিচালনা, ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া ও অন্যান্য উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড ব্যহত হয়। তাছাড়া চুরিকৃত ট্রান্সফরমারের মোট মূল্যের ৫০% গ্রাহক কর্তৃক পরিশোধ করতে হচ্ছে এবং অবশিষ্ট ৫০% টাকা সমিতি বহন করছে। ফলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এবং গ্রাহক সদস্যগন আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। একটি ট্রান্সফর্মারের আওতায় সে সব গ্রাহক থাকে তাদের সকলের আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল থাকে না। ফলে গ্রাহকগনের পক্ষ থেকে ট্রান্সফরমার মূল্যের ৫০% টাকা আওতাভূক্ত সকল গ্রাহকের পক্ষ থেকে একত্র করে সমিতিতে জমা প্রদান করতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকগন একত্র হয়ে সমিতিতে এসে বিশৃংখলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। তাছাড়া সমিতির কর্মকর্তা/কর্মচারীগনকে সাইডে কাজ করার সময় লাঞ্চনা পোহাতে হয়।

ট্রান্সফরমার চুরি রোধে সমিতির তরফ থেকে ট্রান্সফরমার এর ঢাকনা মজবুতভাবে ওয়েল্ডিং করে গাইতার দ্বারা আটকিয়ে লাগানো হচ্ছে যাতে সহজে ঢাকনা খুলতে না পারে। তাছাড়া সময়ে সময়ে অফিসের লোকবল ও পুলিশ সহ টহল ডিউটি প্রদান করা হচ্ছে। বৈদ্যুতিক লাইনে স্থাপিত ট্রান্সফরমার চুরি প্রতিরোধে অত্র সমিতি স্থানীয় প্রশাসনসহ পুলিশ প্রশাসনের সহিত নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা ছাড়াও লিফলেট বিতরন ও মোটিভেশন মিটিং এর মাধ্যমে গ্রাহক সদস্যগনকে উদ্ধুদ্ধ করে থাকে। গ্রাহকগনের সহযোগীতা ব্যতীত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ও প্রশাসনের পক্ষে চুরি রোধ করা অত্যন্ত দুরূহ ব্যাপার। তাই গ্রাহকগনকে চুরি রোধে এগিয়ে আসতে হবে। সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। ট্রান্সফরমার ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম চুরির সাথে জড়িত কোন সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের নাম ঠিকানা তাৎক্ষনিকভাবে সমিতিতে অবহিত করতে হবে। এ ছাড়া ট্রান্সফরমার ও বৈদ্যুতিক মালামালের নিরাপত্তা বিধানকল্পে গ্রাহক সদস্যগনকে নিজ দায়িত্বে চুরি প্রতিরোধ কমিটি গঠন এবং নৈশকালীন প্রহরার ব্যবস্থা করাতে হবে। সমিতি আর্থিকভাবে সাভলম্বী নয় বিধায় অচিরেই চুরিকৃত ট্রান্সফরমারের ১০০% মূল্য গ্রাহক কর্তৃক পরিশোধ সাপেক্ষে ট্রান্সফরমার পুনঃস্থাপন করতে হতে পারে। তাই বিদ্যুৎ সরবরাহ রাতের বেলায় বন্ধ হয়ে গেলে নিকটবর্তী বিদ্যুৎ অফিসে ফোন করে বিদ্যুৎ বন্ধ হওয়ার কারন জেনে নিতে পারেন। যদি বিদ্যুৎ অফিস কর্তৃক লাইন বন্ধ না করা হয় তাহলে টর্চ লাইট সহ পাশাপাশি বাড়ির গ্রাহক সদস্য মিলে ট্রান্সফরমারের কাছে গেলে চুরি প্রতিরোধ হতে পারে। তাছাড়া সমিতির সদস্যগনকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় শিকল তালা ক্রয় করে সরবরাহ করলে  সমিতি কর্তৃক শিকল তালা লাগানোর ব্যবস্থা করা হবে।

গ্রাহক সদস্যগনই সমিতির মালিক এবং সেবক। 16-Point Star: ১৪তাই মালিকের মমত্ববোধ নিয়ে ট্রান্সফরমার চুরি রোধসহ সার্বিক কর্মকান্ডে সহযোগীতার জন্য এগিয়ে আসার নিমিত্তে অনুরোধ জানাচ্ছি।

বিজ্ঞপ্তি

ডাউনলোড

আইন ও সার্কুলার